আজ পত্রিকার পাতা উল্টাতেই হঠাৎ বিষয়টি চোখে পড়লো। বিষয়টি না জানিয়ে পারলাম না। দেখুন আমি কোন আলেম না, আমি বলছি না যে টিভি দেখা হারাম বা সিনেমা দেখা গুনাহের কাজ। এসব নিজে জেনে নিবেন। কিন্তু সাধারণ বিষয়ে তো জ্ঞান রাখি। ইউসুফ(আ) কে নিয়ে সমাজে অনেক ভুল আছে। যেমন- আগে মানুষের মুখে একটা গান শুনতাম " প্রেম কইরাছে ইউসুফ নবী...ই...." আবার অনেকে প্রেম করে এর বৈধতার জন্য বলে "আরে ইউসুফ তো নবী হয়ে প্রেম করছিল" আসতাগফিরুল্লাহ। কি জঘন্য কথা!! কোথায় পাইছেন এই কথা? কুরআন হাদীসে কোথাও এরকম কথা বলা নেই।এটা নবীর শানের অমর্যাদা। এটা তার উপর অপবাদ স্বরুপ। আমি জানি না এই ধারাবাহিকের কাহিনী কি? জানার দরকারও মনে করি না। তবে নামটা একটা বিদেশী সাহিত্যের গ্রন্থ যা পরে বাংলায় অনুবাদ হয়েছে। ইরানের পরিচালকের নির্মিত ধারাবাহিকটি অন্য দেশেও প্রচারিত হয়েছে। যে মানুষ সাধারণ জনগণকে সিনেমা দেখার জন্য উৎসাহিত করে সে আর যেই হোক কুরআন-হাদীস পড়নেওয়ালা লোক হতে পারে না। মনে রাখুন মানুষ মুসলিম হয় কিন্তু বিশ্বাসের উপর। সেখানে আল্লাহ্ পাককে স্বীকার করে নেয়ার পর নবীগণকেও স্বীকার করতে হয়। আর আল্লাহ্ বলেছেন যে নবী(আ) রা পাপহীন ছিলেন। "ইউসুফ-জুলেখা" কাহিনীতে ইউসুফ(আ) অবৈধ সম্পর্কের অপবাদ দেয়া হয়। এটা বিশ্বাস করলে একজন মুসলিমের ঈমান চলে যেতে পারে। আর জুলেখা নাম তো কুরআনেও নেই। সেখানে তৎকালীন বাদশাহ'র স্ত্রী, ইউসুফ(আ) কে পাপ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে চেয়ে সাতটি দরজার ওপারে ছলে ডেকে এনেছিলেন। কিন্তু আল্লাহ্'র নবী বিন্দু মাত্র সাড়া না দিয়ে আল্লাহ্'র নামে দরজার দিকে রওনা হয়ে ছিলেন এবং আল্লাহ্ কুদরতে সব দরজা খুলে গিয়েছিল। পরে বাদশাহ নিজেই ঘটনার সত্যতা বুঝতে পেরেছিলেন। এটাই ঘটনা যা কুরআনে বর্ণিত। এখন একজন জাহেলী চরিত্রের লোক নবী(আ) এর চরিত্রে অভিনয় করবে আর আপনি তা দেখে হাত তালি দিবেন, এটা হতে পারে না। ইউসুফ(আ) এর কথা মনে পড়তেই আপনার চোখে সেই জাহেল লোকটির ছবি ভেসে আসবে। বলবেন যে, ভাই এটা তো বিনোদন। ধুর রাখেন, বিনোদন এখন আপনার নবী(আ) কে নিয়েও করতে হবে? নবীকে জানতে কুরআন পড়েন, তাফসীর পড়েন। না পারলে নবীকে জানার দরকার নেই আপনার। হলিউডে এরকম অনেক ছবিই আছে নবীদের উপর যার সাথে কুরআনের ঘটনার ১% এরও কম মিল আছে। বাদ বাকি পুরোটাই বিকৃত। আমাদের মা-বোনরা ধারাবাহিক বেশি দেখে, দয়া করে তাদেরও বিরত রাখবেন এবং নিজেও বিরত থাকবেন।
আজ পত্রিকার পাতা উল্টাতেই হঠাৎ বিষয়টি চোখে পড়লো। বিষয়টি না জানিয়ে পারলাম না। দেখুন আমি কোন আলেম না, আমি বলছি না যে টিভি দেখা হারাম বা সিনেমা দেখা গুনাহের কাজ। এসব নিজে জেনে নিবেন। কিন্তু সাধারণ বিষয়ে তো জ্ঞান রাখি। ইউসুফ(আ) কে নিয়ে সমাজে অনেক ভুল আছে। যেমন- আগে মানুষের মুখে একটা গান শুনতাম " প্রেম কইরাছে ইউসুফ নবী... ই...." আবার অনেকে প্রেম করে এর বৈধতার জন্য বলে "আরে ইউসুফ তো নবী হয়ে প্রেম করছিল" আসতাগফিরুল্লাহ। কি জঘন্য কথা!! কোথায় পাইছেন এই কথা? কুরআন হাদীসে কোথাও এরকম কথা বলা নেই। এটা নবীর শানের অমর্যাদা। এটা তার উপর অপবাদ স্বরুপ। আমি জানি না এই ধারাবাহিকের কাহিনী কি? জানার দরকারও মনে করি না। তবে নামটা একটা বিদেশী সাহিত্যের গ্রন্থ যা পরে বাংলায় অনুবাদ হয়েছে। ইরানের পরিচালকের নির্মিত ধারাবাহিকটি অন্য দেশেও প্রচারিত হয়েছে। যে মানুষ সাধারণ জনগণকে সিনেমা দেখার জন্য উৎসাহিত করে সে আর যেই হোক কুরআন-হাদীস পড়নেওয়ালা লোক হতে পারে না। মনে রাখুন মানুষ মুসলিম হয় কিন্তু বিশ্বাসের উপর। সেখানে আল্লাহ্ পাককে স্বীকার করে নেয়ার পর নবীগণকেও স্বীকার করতে হয়। আর আল্লাহ্ বলেছেন যে নবী(আ) রা পাপহীন ছিলেন। "ইউসুফ-জুলেখা" কাহিনীতে ইউসুফ(আ) অবৈধ সম্পর্কের অপবাদ দেয়া হয়। এটা বিশ্বাস করলে একজন মুসলিমের ঈমান চলে যেতে পারে। আর জুলেখা নাম তো কুরআনেও নেই। সেখানে তৎকালীন বাদশাহ'র স্ত্রী, ইউসুফ(আ) কে পাপ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে চেয়ে সাতটি দরজার ওপারে ছলে ডেকে এনেছিলেন। কিন্তু আল্লাহ্ 'র নবী বিন্দু মাত্র সাড়া না দিয়ে আল্লাহ্ 'র নামে দরজার দিকে রওনা হয়ে ছিলেন এবং আল্লাহ্ কুদরতে সব দরজা খুলে গিয়েছিল। পরে বাদশাহ নিজেই ঘটনার সত্যতা বুঝতে পেরেছিলেন। এটাই ঘটনা যা কুরআনে বর্ণিত। এখন একজন জাহেলী চরিত্রের লোক নবী(আ) এর চরিত্রে অভিনয় করবে আর আপনি তা দেখে হাত তালি দিবেন, এটা হতে পারে না। ইউসুফ(আ) এর কথা মনে পড়তেই আপনার চোখে সেই জাহেল লোকটির ছবি ভেসে আসবে। বলবেন যে, ভাই এটা তো বিনোদন। ধুর রাখেন, বিনোদন এখন আপনার নবী(আ) কে নিয়েও করতে হবে? নবীকে জানতে কুরআন পড়েন, তাফসীর পড়েন। না পারলে নবীকে জানার দরকার নেই আপনার। হলিউডে এরকম অনেক ছবিই আছে নবীদের উপর যার সাথে কুরআনের ঘটনার ১% এরও কম মিল আছে। বাদ বাকি পুরোটাই বিকৃত। আমাদের মা-বোনরা ধারাবাহিক বেশি দেখে, দয়া করে তাদেরও বিরত রাখবেন এবং নিজেও বিরত থাকবেন।
翻訳されて、しばらくお待ちください..

আজ পত্রিকার পাতা উল্টাতেই হঠাৎ বিষয়টি চোখে পড়লো. বিষয়টি না জানিয়ে পারলাম না. দেখুন আমি কোন আলেম না, আমি বলছি না যে টিভি দেখা হারাম বা সিনেমা দেখা গুনাহের কাজ. এসব নিজে জেনে নিবেন. কিন্তু সাধারণ বিষয়ে তো জ্ঞান রাখি. ইউসুফ (আ) কে নিয়ে সমাজে অনেক ভুল আছে. যেমন- আগে মানুষের মুখে একটা গান শুনতাম "প্রেম কইরাছে ইউসুফ নবী ... ই ...." আবার অনেকে প্রেম করে এর বৈধতার জন্য বলে "আরে ইউসুফ তো নবী হয়ে প্রেম করছিল" আসতাগফিরুল্লাহ. কি জঘন্য কথা !! কোথায় পাইছেন এই কথা? কুরআন হাদীসে কোথাও এরকম কথা বলা নেই.এটা নবীর শানের অমর্যাদা. এটা তার উপর অপবাদ স্বরুপ. আমি জানি না এই ধারাবাহিকের কাহিনী কি? জানার দরকারও মনে করি না. তবে নামটা একটা বিদেশী সাহিত্যের গ্রন্থ যা পরে বাংলায় অনুবাদ হয়েছে. ইরানের পরিচালকের নির্মিত ধারাবাহিকটি অন্য দেশেও প্রচারিত হয়েছে. যে মানুষ সাধারণ জনগণকে সিনেমা দেখার জন্য উৎসাহিত করে সে আর যেই হোক কুরআন-হাদীস পড়নেওয়ালা লোক হতে পারে না. মনে রাখুন মানুষ মুসলিম হয় কিন্তু বিশ্বাসের উপর. সেখানে আল্লাহ্ পাককে স্বীকার করে নেয়ার পর নবীগণকেও স্বীকার করতে হয়. আর আল্লাহ্ বলেছেন যে নবী (আ) রা পাপহীন ছিলেন. "ইউসুফ-জুলেখা" কাহিনীতে ইউসুফ (আ) অবৈধ সম্পর্কের অপবাদ দেয়া হয়. এটা বিশ্বাস করলে একজন মুসলিমের ঈমান চলে যেতে পারে. আর জুলেখা নাম তো কুরআনেও নেই. সেখানে তৎকালীন বাদশাহ'র স্ত্রী, ইউসুফ (আ) কে পাপ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে চেয়ে সাতটি দরজার ওপারে ছলে ডেকে এনেছিলেন. কিন্তু আল্লাহ্'র নবী বিন্দু মাত্র সাড়া না দিয়ে আল্লাহ্'র নামে দরজার দিকে রওনা হয়ে ছিলেন এবং আল্লাহ্ কুদরতে সব দরজা খুলে গিয়েছিল. পরে বাদশাহ নিজেই ঘটনার সত্যতা বুঝতে পেরেছিলেন. এটাই ঘটনা যা কুরআনে বর্ণিত. এখন একজন জাহেলী চরিত্রের লোক নবী (আ) এর চরিত্রে অভিনয় করবে আর আপনি তা দেখে হাত তালি দিবেন, এটা হতে পারে না. ইউসুফ (আ) এর কথা মনে পড়তেই আপনার চোখে সেই জাহেল লোকটির ছবি ভেসে আসবে. বলবেন যে, ভাই এটা তো বিনোদন. ধুর রাখেন, বিনোদন এখন আপনার নবী (আ) কে নিয়েও করতে হবে? নবীকে জানতে কুরআন পড়েন, তাফসীর পড়েন. না পারলে নবীকে জানার দরকার নেই আপনার. হলিউডে এরকম অনেক ছবিই আছে নবীদের উপর যার সাথে কুরআনের ঘটনার 1% এরও কম মিল আছে. বাদ বাকি পুরোটাই বিকৃত. আমাদের মা-বোনরা ধারাবাহিক বেশি দেখে, দয়া করে তাদেরও বিরত রাখবেন এবং নিজেও বিরত থাকবেন.
翻訳されて、しばらくお待ちください..
